শিরোনাম :
কর্মীকে গুলি করে বিকাশ এজেন্টের ‘৩ কোটি টাকা’ ছিনতাই এলপিজি: রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থেকে যেভাবে আমদানি ও বেসরকারি খাতনির্ভর বিরাট বাজার পঞ্চগড়ে গোপনে নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, দুই যুবক কারাগারে আশুলিয়ায় তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট তিন মাসের মধ্যে চালু হবে সিলেটের ২৫০ শয্যার সেই হাসপাতাল সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, খোঁজ মেলেনি ২ হাজার ৩৮ জনের: পুলিশ সাত দিনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘প্রথমবার চালু হয়েছে মহিলা বাস, সিলেটের মেয়ে হয়ে এর অংশ হতে পেরে গর্বিত’ গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানো হলো ফেসবুকে
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

বাল্যবিয়ে বন্ধের জেরে নড়াইলে বাবা-ছেলের ওপর হামলা

নড়াইল প্রতিনিধি: / ১৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০১৮

নড়াইলের শিমুলিয়া গ্রামে আট কিশোরীর বিয়ে বন্ধ করার উদ্যোগের জেরে ব্যবসায়ী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ও তার ছেলে সমাজকর্মী সালমান হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে হেফাজতে ইসলামের স্থানীয় নেতা মাওলানা তাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৮ জানুয়ারি ২০১৮) নড়াইল শহরে আবু বকর সিদ্দিকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন সালমানসহ কয়েকজন সমাজকর্মীর উদ্যোগে পুলিশ লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামে আট অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে বন্ধ করে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের দিনের ঘটনার জেরে মাওলানা তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে মাসুম বিল্লাহসহ কয়েকজন ব্যক্তি আবু বকর সিদ্দিকের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা আবু বকর সিদ্দিকের কক্ষে ঢুকে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে বাবা-ছেলেকে অবরুদ্ধ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা পরিবারটির মেয়েদের শিক্ষা, নারী অধিকার, শিল্প-সংস্কৃতি এবং বাল্যবিয়েবিরোধী কর্মকাণ্ডকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বাবা-ছেলেকে গালাগাল ও হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সালমান ও তার বাবাকে মারধর এবং কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই হামলাকারীরা চলে যায়। পরে আহত সালমান ও তার বাবাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর আঘাতের কারণে সালমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরো সংবাদ পড়ুন...