নড়াইলের শিমুলিয়া গ্রামে আট কিশোরীর বিয়ে বন্ধ করার উদ্যোগের জেরে ব্যবসায়ী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ও তার ছেলে সমাজকর্মী সালমান হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে হেফাজতে ইসলামের স্থানীয় নেতা মাওলানা তাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (৮ জানুয়ারি ২০১৮) নড়াইল শহরে আবু বকর সিদ্দিকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন সালমানসহ কয়েকজন সমাজকর্মীর উদ্যোগে পুলিশ লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামে আট অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে বন্ধ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের দিনের ঘটনার জেরে মাওলানা তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে মাসুম বিল্লাহসহ কয়েকজন ব্যক্তি আবু বকর সিদ্দিকের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা আবু বকর সিদ্দিকের কক্ষে ঢুকে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে বাবা-ছেলেকে অবরুদ্ধ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা পরিবারটির মেয়েদের শিক্ষা, নারী অধিকার, শিল্প-সংস্কৃতি এবং বাল্যবিয়েবিরোধী কর্মকাণ্ডকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বাবা-ছেলেকে গালাগাল ও হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সালমান ও তার বাবাকে মারধর এবং কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই হামলাকারীরা চলে যায়। পরে আহত সালমান ও তার বাবাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর আঘাতের কারণে সালমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।