শিরোনাম :
কর্মীকে গুলি করে বিকাশ এজেন্টের ‘৩ কোটি টাকা’ ছিনতাই এলপিজি: রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থেকে যেভাবে আমদানি ও বেসরকারি খাতনির্ভর বিরাট বাজার পঞ্চগড়ে গোপনে নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, দুই যুবক কারাগারে আশুলিয়ায় তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট তিন মাসের মধ্যে চালু হবে সিলেটের ২৫০ শয্যার সেই হাসপাতাল সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, খোঁজ মেলেনি ২ হাজার ৩৮ জনের: পুলিশ সাত দিনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘প্রথমবার চালু হয়েছে মহিলা বাস, সিলেটের মেয়ে হয়ে এর অংশ হতে পেরে গর্বিত’ গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানো হলো ফেসবুকে
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

বিয়ানীবাজার ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ – ইউপি মেম্বার এর বিরুদ্ধে

স্টাফপোর্টার: / ১৫৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫

বিয়ানীবাজারের সুপরিচিত জুয়েলারি ব্যবসায়ী আবদুল হামিদ খান ও তাঁর ভাই আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০ মে ২০২৫ তারিখে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে বলে জানা যায়। মামলাটি দায়ের করেছেন বিয়ানীবাজার মাথিউরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এর মেম্বার মোঃ আলতাফ হোসেন। এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে হামিদ ও তাঁর ভাই ব্যবসা প্রসারের এবং পার্টনারশিপের নাম করে টাকা নিয়ে তা আর ফেরত দেননি।

আইনজীবী ও পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, এই মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, যা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে দায়ের করা হয়েছে। এব্যাপারে হামিদ খান কানাডা থেকে জানান, এই মামলা আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল হক এবং মাকসুদুল হক আউয়াল এর হাত রয়েছে। পারিবারিক সূত্রের দাবি, এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদের নির্দেশে ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তারা জানায়, মামলার তারিখে হামিদ বাংলাদেশেই ছিলেন না, ফলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। হামিদ এর স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার বলেন, আমার স্বামী নিরপরাধ এবং এই মামলা মিথ্যা এবং বানোয়াট। এই আওয়ামী লীগ নেতাদের অত্যাচারে আমার স্বামী দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং আমরাও এলাকাতে থাকতে পারছিনা।

উল্লেখ যে, বাবুল হক এবং আউয়াল এর সাথে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিলো হামিদ এর সাথে এবং তাদের বিরুদ্ধে এর আগে মামলা করেন এই আব্দুল হামিদ খান। এই মামলার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হামিদের বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে বলে জানান নিকট আত্মীয় এবং প্রতিবেশীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, পূর্বশত্রুতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব খাটিয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা ন্যায় বিচার ও আইনের শাসনের জন্য বড় ধরনের হুমকি।

সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ইউপি মেম্বার মোঃ আলতাফ হোসেন এর ফোনে ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।


আরো সংবাদ পড়ুন...