বিয়ানীবাজারের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন স্থানীয় ক্ষমতার গতিপ্রকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। জানা গেছে, বেশ কয়েকজন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোতে যোগ দিয়েছেন।
স্থানীয়ভাবে যাদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিয়ানীবাজারের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এম এ জলিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপি নেতৃত্বের, বিশেষ করে বিএনপি নেতা ও সংসদ প্রার্থী ইমরান আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই নতুন সম্পর্কের মাধ্যমে জলিল বিয়ানীবাজার এলাকায় পুনরায় যথেষ্ট রাজনৈতিক প্রভাব অর্জন করেছেন।
একই সময়ে, জলিলের ছেলে এনামুল হাসান রায়হান, যিনি আগে বিয়ানীবাজারের স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যুবদলে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিয়ানীবাজারের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা ও বিরোধীদলীয় কর্মী অভিযোগ করেছেন যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাংশের রাজনৈতিক সুরক্ষা ও কথিত সমর্থন পেয়ে রায়হান ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন।
একটি ধর্ষণ মামলায় রায়হানের সম্পৃক্ততা এবং ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত ও বিচারাধীন মামলার সম্মুখীন বহু সাবেক আওয়ামী লীগ নেতার উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যে, বিএনপিতে যোগ দিয়ে এই ব্যক্তিরা দলটির রাজনৈতিক প্রভাব ও সুরক্ষা কাজে লাগিয়ে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারেন।