শিরোনাম :
তিন মাসের মধ্যে চালু হবে সিলেটের ২৫০ শয্যার সেই হাসপাতাল সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, খোঁজ মেলেনি ২ হাজার ৩৮ জনের: পুলিশ সাত দিনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘প্রথমবার চালু হয়েছে মহিলা বাস, সিলেটের মেয়ে হয়ে এর অংশ হতে পেরে গর্বিত’ গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানো হলো ফেসবুকে খুন হওয়া গৃহকর্মী তাহমিনার বয়স নিয়ে ধুম্রজাল: পরিবারের দাবি ১২/১৩, পুলিশ বলছে ১৮ সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: বাদীর সন্দেহে থাকা সিরাজ জেল খেটেছেন একাধিকবার হবিগঞ্জে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার আমার কমনসেন্স বলে, শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

বিয়ানীবাজার এ ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি-অভিযোগ স্থানীয় আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় মোঃ ইজাজুল হক ইকবাল নামের এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বিয়ানীবাজার এলাকার নিজ বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মোঃ ইজাজুল হক ইকবাল একজন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর সক্রিয় সংগঠক হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মোঃ ইজাজুল। সংবাদ সম্মেলনটির মূল বিষয় ছিল গুম, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাহার বাসভবনে প্রবেশ করিয়া তাহাকে বেদম মারধর করে। হামলার ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ও তৈমুজ খান এর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, সুমন আহমেদ ও তৈমুজ খান এর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তার বাসভবনে প্রবেশ করে নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি এতে অসম্মতি জানালে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা লাঠি, রড ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলায় তার মাথা, পিঠ, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা ভিন্নমত প্রকাশের কারণে কোনো ব্যক্তি হামলা বা হয়রানির শিকার হলে তা আইনের শাসনের পরিপন্থী।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ও তৈমুজ খানের ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তারা ফোন ধরেননি। সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান এখন পর্যন্ত তারা কোনো অভিযোগ পাননি।


আরো সংবাদ পড়ুন...