শিরোনাম :
কর্মীকে গুলি করে বিকাশ এজেন্টের ‘৩ কোটি টাকা’ ছিনতাই এলপিজি: রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থেকে যেভাবে আমদানি ও বেসরকারি খাতনির্ভর বিরাট বাজার পঞ্চগড়ে গোপনে নারীর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, দুই যুবক কারাগারে আশুলিয়ায় তুলার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট তিন মাসের মধ্যে চালু হবে সিলেটের ২৫০ শয্যার সেই হাসপাতাল সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, খোঁজ মেলেনি ২ হাজার ৩৮ জনের: পুলিশ সাত দিনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতালের সব সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘প্রথমবার চালু হয়েছে মহিলা বাস, সিলেটের মেয়ে হয়ে এর অংশ হতে পেরে গর্বিত’ গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানো হলো ফেসবুকে
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

সশস্ত্র হামলার মুখে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হলেন প্রবাসী ব্যবসায়ীর পরিবার

ইলিয়াস চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার: / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সশস্ত্র হামলার মুখে কানাডা-প্রবাসী ব্যবসায়ী বুরহান উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী ও সন্তানরা তাঁদের পারিবারিক বাসভবন ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে।

হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আহমেদ অভিযোগ করেন যে, মিনহাজ উদ্দিন ও আতিকুল ইসলাম—যাঁরা আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন—তাঁরা তাঁর সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে মিথ্যা দাবি তোলেন এবং ১০ মার্চ তাঁর স্ত্রীকে হুমকি দেন। আহমেদের ভাষ্যমতে, পরদিন মিনহাজের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় ও ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, যার ফলে তাঁর পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়ে।
বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) সুরুজ মিয়া এই হামলার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযোগ রয়েছে যে, পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁর অভিযোগ নথিভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান এবং সতর্ক করেন যে, এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে। রাজনৈতিক নিপীড়নের কারণে এর আগে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন বলে দাবি করা আহমেদ এখন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও তাঁর পরিবারের জন্য অবিলম্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই গুরুতর অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে একটি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক আনুগত্য পরিবর্তনের বিষয়টি যেন কাউকে জবাবদিহিতা থেকে রেহাই না দেয়। কর্তৃপক্ষের উচিত আহমেদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের আচরণের তদন্ত করা এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

মন্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে মিনহাজ উদ্দিন ও আতিকুল ইসলাম কোনো সাড়া দেননি।

অভিযোগগুলোর যথাযথ সুরাহা না হলে, এই ঘটনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


আরো সংবাদ পড়ুন...