খুলনার ডুমুরিয়ায় সাবিহা হক নামে এক মেডিকেল ইন্টার্নিরত তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের পর সর্বশেষ শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে ডুমুরিয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর ফরিদ-উজ-জামানের বিরুদ্ধে।
পরিবারের অভিযোগ, ২০২১ সাল থেকে ফরিদ সাবিহাকে অনুসরণ, ফোনে হয়রানি এবং বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরও হয়রানি অব্যাহত থাকে। পরবর্তীতে সাবিহার বিয়ে হবার পর তার প্রবাসী স্বামীকে তালাক দেবার জন্য চাপ দিতে থাকেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
সর্বশেষ ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে ফরিদ ও তার লোকজন সাবিহার গাড়ির গতিরোধ করেন। সাবিহা অভিযোগ বলেন, ফরিদ তাকে একটি হোটেলে যাওয়ার কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে তাকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা এবং এতে বাধা দিলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে সাবিহাকে ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হয়। পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে চাইলেও পুলিশ মামলা বা জিডি নেয়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফরিদ-উজ-জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং তার ফোন ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান তারা এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।