আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরাই আইনজীবী, যারা আইনের তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তির বা সংস্থার আইনি সমস্যার সমাধানের কাজ করে থাকেন। তারা বিভিন্ন ধরনের আইনি মামলায় যেকোনো এক পক্ষের হয়ে লড়াই করেন।
তবে একজন আইনজীবী হয়ে ওঠা সহজ ব্যাপার নয়। আইন বিষয়ে স্নাতক পাস করার পরও পেরোতে হয় তিনটি ধাপ। অর্জন করতে হয় সনদ। আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। আইনের ওপর স্নাতক উত্তীর্ণের পরপরই আইনজীবী হিসেবে নূন্যতম ১০ বছর পেশায় রয়েছেন- এমন একজন সিনিয়রের অধীনে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়।
ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পান।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। সনদ লাভের পর সংশ্লিষ্ট জেলা বার-এ যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশা শুরু করতে পারেন একজন আইনজীবী।
আরও পড়ুন: অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের পক্ষে যে কারণে লড়বেন না আইনজীবী সারোয়ার
এদিকে শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৭ হাজার ৯১৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
এদিন বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা গত ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৭ হাজার ৯১৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
এখন উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বার কাউন্সিল।