শিরোনাম :
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র নিয়ে ১১ জরুরি নির্দেশনা স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মিষ্টি সুবাসসহ দুজন রিমান্ডে হাদি হত্যার দুই আসামিকে ১১ দিনের রিমান্ডের নির্দেশ দিল্লি আদালতের মামুন খালেদ ও মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ পাঁচ মিনিট আগেই সংসদের অধিবেশনে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা সিলেটে পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল চালকের সুনামগঞ্জ-২: ভোটের মাঠে এখনও প্রাসঙ্গিক সুরঞ্জিত বব মার্লের ফুটবলপ্রেম গোলাপগঞ্জে মিথ্যা অর্থ পাচার মামলা, পুলিশি হয়রানির অভিযোগ পরিবারের
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

২১শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানে মৌলবাদীদের হামলা: প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

সিলেট সংবাদদাতা / ১৯০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১শে ফেব্রুয়ারি একটি শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলে মৌলবাদীদের হামলার শিকার হন একদল সামাজিক কর্মী। স্থানীয় মৌলবাদী নেতা মাওলানা জিল্লুর রহমান ও তার সহযোগী হেফাজতে ইসলাম (এইচআই) সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক
ভাঙচুর করে। হামলার শিকার কর্মীদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন জানান, হামলার সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং একটি চেয়ার তার পিঠে আঘাত করে। তার আরও কয়েকজন সহকর্মী আহত হলে তারা চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি ক্লিনিকে যান। হামলার পর এক সহকর্মী থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে হতাশ হয়ে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে যান, কিন্তু তিনি অভিযোগ জানাতে মেয়রের কাছে যেতে বলেন। মেয়রও ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আত্মসংযমের পরামর্শ দেন।

এর আগে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে প্রতি রবিবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ‘শিমান্তিক’ সংস্থার হয়ে পরিবার পরিকল্পনা ও নবজাতক সেবা প্রদান করে আসছিলেন একদল সমাজকর্মী। তারা কিশোরীদের শিক্ষার বিষয়ে উৎসাহিত করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতেন। এই কার্যক্রম তাদের নিজ
বাসায় পরিচালিত হত। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই এই উদ্যোগ মৌলবাদীদের দৃষ্টিগোচর হয়। হেফাজতে ইসলাম নেতা মাওলানা জিল্লুর রহমান ৮-১০ জন অনুসারীসহ ওই সমাজকর্মীর বাসায় গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করার হুমকি দেন।

তিনি দাবি করেন, এই কর্মকাণ্ড ইসলামসম্মত নয় এবং অব্যাহত রাখলে পরিণাম ভয়াবহ হবে। এরপর সমাজকর্মীরা থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার চেষ্টা করলে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দিলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় মৌলবাদী গোষ্ঠীর হামলা ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা উপযুক্ত নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...