বিয়ানীবাজারের সুপরিচিত জুয়েলারি ব্যবসায়ী আবদুল হামিদ খান ও তাঁর ভাই আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০ মে ২০২৫ তারিখে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে বলে জানা যায়। মামলাটি দায়ের করেছেন বিয়ানীবাজার মাথিউরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এর মেম্বার মোঃ আলতাফ হোসেন। এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে হামিদ ও তাঁর ভাই ব্যবসা প্রসারের এবং পার্টনারশিপের নাম করে টাকা নিয়ে তা আর ফেরত দেননি।
আইনজীবী ও পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, এই মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, যা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে দায়ের করা হয়েছে। এব্যাপারে হামিদ খান কানাডা থেকে জানান, এই মামলা আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল হক এবং মাকসুদুল হক আউয়াল এর হাত রয়েছে। পারিবারিক সূত্রের দাবি, এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদের নির্দেশে ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তারা জানায়, মামলার তারিখে হামিদ বাংলাদেশেই ছিলেন না, ফলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। হামিদ এর স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার বলেন, আমার স্বামী নিরপরাধ এবং এই মামলা মিথ্যা এবং বানোয়াট। এই আওয়ামী লীগ নেতাদের অত্যাচারে আমার স্বামী দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং আমরাও এলাকাতে থাকতে পারছিনা।
উল্লেখ যে, বাবুল হক এবং আউয়াল এর সাথে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিলো হামিদ এর সাথে এবং তাদের বিরুদ্ধে এর আগে মামলা করেন এই আব্দুল হামিদ খান। এই মামলার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হামিদের বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে বলে জানান নিকট আত্মীয় এবং প্রতিবেশীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, পূর্বশত্রুতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব খাটিয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা ন্যায় বিচার ও আইনের শাসনের জন্য বড় ধরনের হুমকি।
সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ইউপি মেম্বার মোঃ আলতাফ হোসেন এর ফোনে ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।