শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

কুলাউড়ায় ব্যবসায়ীকে মিথ্যা প্রতারনার মামলা দিয়ে হয়রানি -অভিযোগ স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে

কুলাউড়া প্রতিনিধি / ৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এক প্রবাসী যুবক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতারণা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

মামলাটি বিগত ১৮ মে মৌলভীবাজার জেলা জজ কোর্ট এ দায়ের করেন কামাল আহমেদ নাম একজন ব্যবসায়ী। এই কামাল আহমেদ বিতর্কিত রাজনীতিবিদ শাহরিয়ার আহমেদ এর চাচাতো ভাই এবং ব্যাবসায়িক পার্টনার। মামলায় আসামি করা হয় তাজিব এন্টারপ্রাইস এর সত্ত্বাধিকারী জালাল আহমেদ তাজিব ও তার ভাই সেজান আহমেদ তাইফ কে।

এ মামলায় উল্লেখ করা হয়, এই দুই সহোদর অভিযোগকারীর কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকার নেবার পরও মালামাল এবং ডিলারশিপ এর কাগজপত্র বুঝিয়ে দেননি।

এ ব্যাপারে কানাডা থেকে জালাল আহমেদ তাজিব জানান, এটি একটি মিথ্যা এবং বানোয়াট মামলা। তার কাছ থেকে টাকা নেবার প্রশ্নই আসেনা কারণ আমি উল্লেখিত সময়ে আমি দেশেই ছিলাম না।

তিনি আরো বলেন শাহরিয়ার আহমেদ এর নির্দেশে তার কাজিন এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ,দেশে থাকাকালীন তাজিবকে নানান ভাবে নির্যাতন ও পুলিশি হয়রানি করেছেন এই শাহরিয়ার। তার ভাই সেজান আহমেদ তাইফ ও নানান ভাবে নির্যাতিত হয়েছেন এই নেতার দ্বারা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত কামাল আহমেদের সঙ্গে মামলার অভিযোগের বাস্তব কোনো আর্থিক লেনদেন বা প্রতারণার ঘটনার প্রমাণ নেই। বরং পূর্বে শাহরিয়ার এর সাথে রাজনৈতিক বিরোধ ও ব্যবসায়িক শত্রুতার জের ধরে এই মামলা করা হয়েছে।

স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“এই পরিবারটি বহুদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের শিকার। মামলা দিয়ে এখন তাদের পুরোপুরি কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে।”

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল পরিবারের সদস্যদের চাপ ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে মামলার বাদী কামাল আহমেদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...