২০২৫ সাল পাকিস্তানের ক্রিকেটের জন্য হয়ে উঠেছে দারুণ ব্যতিক্রমী। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলটি ইতোমধ্যে খেলেছে ৫৪টি ম্যাচ, যা এ বছরে যেকোনো দলের চেয়ে সবচেয়ে বেশি। আর এই সবগুলো ম্যাচেই অংশ নিয়ে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আঘা।
রবিবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে মাঠে নেমেই আঘা ছুঁয়ে ফেলেন এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড ৫৪টি। আগে এই রেকর্ড ছিল রাহুল দ্রাবিড়, মোহাম্মদ ইউসুফ ও এমএস ধোনির, প্রত্যেকে খেলেছিলেন ৫৩টি করে ম্যাচ।
সেদিন পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৯৫ রান। ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন বাবর আজম ৫২ বলে ৭৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। ফখর জামান মাত্র ১০ বলে ২৭ রানে ঝড় তোলেন। তবে আঘা করেন মাত্র ১ রান।
জবাবে জিম্বাবুয়ে থেমে যায় ১২৬ রানে। পাকিস্তানের বড় জয়ে সবচেয়ে আলো ছড়ান তরুণ পেসার উসমান তারিক। মাত্র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে করেন দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক।
সালমান আগার এই রেকর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুলে দিল নতুন এক অধ্যায়। শচীন টেন্ডুলকারই প্রথম ক্রিকেটার ছিলেন যিনি ১৯৯৭ সালে এক বছরে ৫০টির বেশি ম্যাচ খেলেছিলেন। এরপর ব্যস্ত সূচির যুগে এ সংখ্যা ধীরে ধীরে আরও বেড়েছে। চলতি দশকে আগার আগে কেবল নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল (২০২৩) এক বছরে ৫০ ম্যাচের বেশি খেলেছিলেন।
এক পঞ্চিকা বর্ষে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার-
বিজ্ঞাপন
| প্লেয়ার | দল | ম্যাচ | বছর |
| সালমান আঘা | পাকিস্তান | ৫৪ | ২০২৫ |
| রাহুল দ্রাবিড় | ভারত | ৫৩ | ১৯৯৯ |
| মোহাম্মদ ইউসূফ | পাকিস্তান | ৫৩ | ২০০০ |
| এমএস ধোনি | ভারত/এশিয়া একাদশ | ৫৩ | ২০০৭ |
| ল্যান্স ক্লুসনার | দক্ষিণ আফ্রিকা | ৫২ | ২০০০ |
| পল কলিংউড | ইংল্যান্ড | ৫২ | ২০০৭ |
| অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ | শ্রীলঙ্কা | ৫২ | ২০১৪ |
| শচীন টেন্ডুলকার | ভারত | ৫১ | ১৯৯৭ |
| সৌরভ গাঙ্গুলি | ভারত | ৫০ | ১৯৯৯ |
| মাইকেল হাসি | অস্ট্রেলিয়া | ৫১ | ২০০৯ |
| কুমার সাঙ্গাকারা | শ্রীলঙ্কা | ৫১ | ২০১২ |
| মোহাম্মদ হাফিজ | পাকিস্তান | ৫১ | ২০১৩ |
| ড্যারিল মিচেল | নিউজিল্যান্ড | ৫১ | ২০২৩ |